স্যাটেলাইট, বর্তমান বিশ্বে আমরা সকলেই ইন্টারনেট স্যাটেলাইট এবং ডিজিটালিটির সাথে পরিচিত আর ঠিক এই কারণেই আমাদের অনেকের কাছেই একটি প্রশ্ন মাঝে মাঝেই মনের ভিতর নাড়া দেয় প্রশ্নটি হল স্যাটেলাইট কি শুরুতেই বলে রাখি বর্তমান মহাকাশে সরকারি বেসরকারি মিলে প্রায় ১১০০ প্লাস কার্যরত স্যাটেলাইট রয়েছে। উন্নত দেশগুলো তো বটেই স্বল্প উন্নয়ন দেশগুলোও এই স্যাটেলাইট পাঠানোর প্রতিযোগিতায় নেমেছে, অবশ্যই কোন বিষয়ে অস্পষ্ট অধিক জ্ঞানের চেয়ে সঠিক অল্প জ্ঞান রাখা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি বলি স্যাটেলাইট কি তাহলে উত্তরে বলা যেতে পারে স্যাটেলাইট হলো একটি অবজেক্ট বা বস্তু যা আরেকটি অবজেক্টকে তার কেন্দ্র বানিয়ে প্রদক্ষন করে। এটা শোনার পরে অনেকের মাথায় এই প্রশ্নটা আসতে পারে যে তাহলে পৃথিবীটাও কি একটি স্যাটেলাইট উত্তর হল হ্যাঁ পৃথিবীটাও একটি স্যাটেলাইট যা সূর্যকে প্রদক্ষন করে ঘুরতে থাকে এবং যদি চাঁদের কথা বলি তাহলে অবশ্যই বলা যায় যে চাঁদও একটি স্যাটেলাইট আর চাঁদ পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে। কিন্তু বর্তমানে আমরা স্যাটেলাইট বলতে বুঝি মানুষের বানানো একটি প্রযুক্তিকে যেটি মহাকাশে প্রেরণ করা হয় এবং সেটির মাধ্যমে আমরা সকল তথ্য আদান প্রদান করে থাকি। চাঁদ পৃথিবী সূর্য এগুলো হল প্রাকৃতিক স্যাটেলাইট আর মানুষের তৈরি স্যাটেলাইট গুলো হল একটি যন্ত্র যা মানুষ তার প্রয়োজনের জন্য বানিয়েছে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে স্যাটেলাইট হলো এমন একটি যন্ত্র যার মাধ্যমে আমরা তথ্য ও যোগাযোগ স্থাপন করে থাকি এবং সেটাকে আমরা মহাকাশের সূর্য চন্দ্র ও পৃথিবীর নিকটে স্থাপন করে থাকি।
স্যাটেলাইটের গঠন
স্যাটেলাইট সাধারণত বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে তবে সকল স্যাটেলাইটের মধ্যে দুইটি জিনিস কমন থাকে, অ্যান্টেনা এবং শক্তির উৎস বা পাওয়ার সোর্স। অ্যান্টেনা তথ্য গ্রহণ ও প্রেরণের কাজ করে থাকে এবং এন্টেনা গুলো বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে যেমন: মনোপোল, ডিপো হর্ন, প্রতিফলক, পারাবলিক, মাইক্রোটিপৎ ইত্যাদি। এবং এই এন্টিনার ধরন গুলো নির্ভর করে সাধারণত স্যাটেলাইটের বিভিন্ন এপ্লিকেশনের ওপর।
সৌর কোর এবং ব্যাটারি ব্যাকআপ এর উৎস হিসেবে সাধারণত সোলার প্যানেল এবং ব্যাটারি থাকে এবং সোলার প্যানেল গুলো বিদ্যুতের মধ্যে সূর্যে আলোক পাত করে শক্তি তৈরি করে। সোলার প্যানেলগুলো সচল রাখার জন্য সোলার সেল অধিক গুরুত্বপূর্ণ। সূর্যালোকের উপস্থিতিতে শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে ব্যাটারি এবং সোলার সেল আর সূর্য না থাকলে তখন ব্যাটারি শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।